স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন...
মৃ*ত মাকে জীবিত উদ্ধার করতে খোঁড়া হচ্ছে কবর। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর হঠাৎ স্বপ্নে মাকে জীবিত দেখতে পান ছেলে। স্বপ্নে মা নাকি বলেন— "আমি বেঁচে আছি, এখানে আর ভালো লাগছে না, আমাকে বের করো।"
এরপরই কোনো কিছু না ভেবে মাকে কবর থেকে জীবিত বের করার সিদ্ধান্ত নেন ছেলে। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার দেখা মিললো এবার, যা মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে।
মায়ের প্রতি ছেলের ভালোবাসা আর বিশ্বাস যেন মুহূর্তেই সব যুক্তিকে হার মানায়। ৩৫ বছর আগে মা*রা যাওয়া মাকে স্বপ্নে জীবিত দেখার পর তার মনে হয় মা হয়তো সত্যিই কবরের ভিতর বেঁচে আছেন। সেই বিশ্বাস থেকেই কবর খুঁড়ে মাকে বের করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় তৈরি হয় চরম কৌতূহল ও উত্তেজনা।
তবে ছেলের এমন সিদ্ধান্তে আপত্তি জানান স্থানীয়রা। ৩৫ বছর আগে মা*রা যাওয়া কেউ এভাবে জীবিত থাকতে পারে না— এমন যুক্তি দিয়ে তাকে থামানোর চেষ্টা করেন তারা। কিন্তু মায়ের জীবিত থাকার বিশ্বাসে অনড় ছিলেন ছেলে। শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের বাধা উপেক্ষা করেই শুরু হয় কবর খোঁড়ার কাজ। পরে ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেই তা নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা।
ড্রিল মেশিন ও কোদাল দিয়ে পাকা কবরের শক্ত অংশ সরিয়ে অবশেষে বের করা হয় কফিন। তখন সবার চোখ কফিনের দিকে। সত্যিই কি ৩৫ বছর পর জীবিত পাওয়া যাবে মাকে? কিন্তু দীর্ঘ চেষ্টার পরও মেলেনি কোনো অলৌকিকতার প্রমাণ। কফিন পরীক্ষা শেষে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতেই সেটি আবারও আগের জায়গায় দাফন করা হয়।
তবে ঘটনা সামনে আসার পর থেকে উঠেছে নানা প্রশ্ন। মায়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা কি কখনো মানুষকে বাস্তবতা ভুলিয়ে দিতে পারে? নাকি দীর্ঘ ৩৫ বছরের শোক থেকেই এমন স্বপ্ন ও বিশ্বাসের জন্ম? উত্তর যাই হোক, মাকে জীবিত উদ্ধারের আশায় কবর খোঁড়ার এই ঘটনা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৈরি করেছে ব্যাপক কৌতূহল। পাশাপাশি মানুষের বিশ্বাস, আবেগ আর বাস্তবতার সম্পর্ক নিয়েও শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।
Please wait 7 seconds to access content...
Comments
Post a Comment