সোমবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলা..

Image
  নাটোরের বেশকিছু এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, নাটোরের বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ১ নম্বর ফিডারের আওতাধীন লাইনের পার্শ্ববর্তী গাছের ডালপালা কর্তন কাজের জন্য সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘণ্টা বড়াইগ্রাম উপজেলার বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। এই এলাকাগুলো হলো- কালিকাপুরের আংশিক এলাকা, কালিরগুন, চরনটাবাড়িয়া, মহিষভাঙ্গা মোল্লাপাড়া, নটাবাড়িয়া, জোয়ারী, কালিকাপুর কারিগরি কলেজপাড়া, খৌদ্দকাচুটিয়া ও বৃহৎ কাচুটিয়া ও এর আশপাশের এলাকা।তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতে সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কর্তৃপক্ষ।এদিকে সোমবার রাজশাহীর বেশকিছু এলাকায় পর্যায়ক্রমে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না। রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে নর্দান ইলেকট্রিসি...

আ'ই'স'ক্রি'ম কি'ন'তে গিয়ে আর ফি'র'ল' না ১০ বছরের কলি—৭ দিন পর মিলল...

 আ'ই'স'ক্রি'ম কি'ন'তে গিয়ে আর ফি'র'ল' না ১০ বছরের কলি—৭ দিন পর মিলল...


মাত্র ১০ বছরের শিশু কামরুন্নাহার কলি। আইসক্রিম কিনতে গিয়ে আর নিজের ঘরে ফিরতে পারেনি সে। অভিযোগ উঠেছে, প্রতিবেশী মুদি দোকানি মোস্তফা প্রামাণিক তাকে দোকানের পেছনের ঘরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় তার সহযোগী হিসেবে ইয়াছিনের নামও উঠে এসেছে।


অভিযোগ অনুযায়ী, হত্যার পর কলির মরদেহ একটি বস্তায় ভরে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। কয়েকদিন পর দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে মরদেহটি একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার প্রায় সাত দিন পর কলির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও ক্ষোভ। শুক্রবার জুমার নামাজের পর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী অভিযুক্ত মোস্তফার বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। হাতুড়ি, শাবলসহ বিভিন্ন জিনিস দিয়ে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলা হয়। যে বাড়িটিকে কেউ কেউ ‘রাজকীয় প্রাসাদ’ বলে উল্লেখ করতেন, জনতার ক্ষোভে সেটিই এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।


তবে একটি অপরাধের দায় পুরো পরিবারের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কতটা ন্যায়সঙ্গত—এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।


কলি আর কোনোদিন ফিরে আসবে না। এখন পরিবারের একটাই দাবি—সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের কঠোর আইনগত শাস্তি এবং শিশুটির জন্য ন্যায়বিচার।

Comments

Popular posts from this blog

ছুটিতে স্বামী বাসায় এসেছিলো কিন্তু রাতে বউ এর..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী...

দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে খাবার খান, কয়েক ঘণ্টা পর মিলল