সোমবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলা..
পুলিশ স্বামীকে নিতে এসেছে, আর স্ত্রী বললেন “ভোর হওয়ার আগে আমি দরজা খুলবো না!” 🖤
রাজনীতিতে আসার পর তাঁর জীবন হয়ে ওঠে অনিশ্চয়তা, ঝুঁকি আর নানা প্রতিকূলতায় ভরা। সেই কঠিন সময়ে তাঁর পাশে সবচেয়ে দৃঢ়ভাবে ছিলেন তাঁর স্ত্রী।রাহাত আরা বেগম দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন। নিজের উপার্জন দিয়ে সন্তানদের পড়াশোনার দায়িত্বও পালন করেছেন। মেয়েদের হলিক্রসে পড়িয়েছেন। এমনকি একটা সময় স্ত্রী ও মেয়েদের সাধারণ পরিবহনেও চলাচল করতে হয়েছে।সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “এই কষ্টটা আমার স্ত্রী অনেক বেশি করে সহ্য করেছেন।”শুধু সংসার সামলানো নয়, স্বামীর রাজনৈতিক জীবনের ঝুঁকিও তাঁকে নিতে হয়েছে। এক রাতে পুলিশ বাসায় তল্লাশি চালাতে এলে রাহাত আরা বেগম নাকি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন,আমি দরজা খুলবো না। ভোর হওয়ার আগে আমি দরজা খুলবো না।”
পরে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত হন। ভোরে দরজা খোলার পর পুলিশ মির্জা ফখরুলকে নিয়ে যায়।
এত প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে স্ত্রী কখনো বিরক্ত হয়েছেন এমন অভিজ্ঞতা তাঁর হয়নি।মির্জা ফখরুলের ভাষায়, “আমি কখনো দেখিনি, আমি রাজনীতি করছি বলে উনি আমার ওপর কখনো বিরক্ত হয়েছেন।”
একজন রাজনীতিবিদের জীবনের আলো সবাই দেখে। কিন্তু সেই আলোর পেছনে যে ত্যাগ, অপেক্ষা, ভয়, অনিশ্চয়তা আর একজন জীবনসঙ্গীর নীরব সহনশীলতা থাকে সেটা খুব কম মানুষই দেখতে পায়।
আর মির্জা ফখরুলের নিজের ভাষায়, সেই জীবনের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি— “আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া আমার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম।”
Please wait 7 seconds to access content...
Comments
Post a Comment