সোমবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলা..

Image
  নাটোরের বেশকিছু এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, নাটোরের বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ১ নম্বর ফিডারের আওতাধীন লাইনের পার্শ্ববর্তী গাছের ডালপালা কর্তন কাজের জন্য সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘণ্টা বড়াইগ্রাম উপজেলার বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। এই এলাকাগুলো হলো- কালিকাপুরের আংশিক এলাকা, কালিরগুন, চরনটাবাড়িয়া, মহিষভাঙ্গা মোল্লাপাড়া, নটাবাড়িয়া, জোয়ারী, কালিকাপুর কারিগরি কলেজপাড়া, খৌদ্দকাচুটিয়া ও বৃহৎ কাচুটিয়া ও এর আশপাশের এলাকা।তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতে সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কর্তৃপক্ষ।এদিকে সোমবার রাজশাহীর বেশকিছু এলাকায় পর্যায়ক্রমে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না। রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে নর্দান ইলেকট্রিসি...

মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন যে চারজন...


 মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন যে চারজন..



প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে সরকারের কাজের গতি বাড়াতে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে দায়িত্বের চাপ কমাতে সীমিত পরিসরে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।

ফলে মন্ত্রিসভায় আপাতত কোনো পরিবর্তন না করে নতুন চারজনকে যুক্ত করা হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এ প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়নের একমাত্র এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর। তিনি যখন চাইবেন তখনই বাস্তবায়িত হবে।

আগামী ১৭ আগস্ট বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে। দিনটিকে সামনে রেখে সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা চলছে। তবে এই পর্যালোচনায় মন্ত্রিসভার পরিবর্তন বা বড় ধরনের দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত এখনই নেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গেছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে এমন ইঙ্গিতই পাওয়া গেছে।


গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন। জানা গেছে, সরকারের শুরুতে তুলনামূলক বড় পরিসরে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও কয়েকজন মন্ত্রীকে একাধিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


অর্থ ও পরিকল্পনা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ, শিল্প-বাণিজ্য-বস্ত্র ও পাট, কৃষি-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, সড়ক-রেল-নৌপরিবহনসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক দায়িত্ব রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক কাজের চাপ কমানো এবং নীতিনির্ধারণে আরো মনোযোগ দেওয়ার জন্য নতুন মুখ যুক্ত করার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।


মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সেলিমা রহমান এমপি এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি মন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হতে পারেন।




এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহিদুল ইসলাম বাবুল এমপি এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শামীম কায়সার লিংকন এমপি যুক্ত হতে পারেন বলে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্ব পালন করছেন। এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় নির্ধারিত উপদেষ্টারা এবং বিশেষ সহকারীরাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বিশেষ দায়িত্ব পালন করছেন।


সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, মন্ত্রিসভায় কাউকে সরিয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বরং ১৮০ দিনের কাজের মূল্যায়নের পর কোথায় কী ধরনের ঘাটতি রয়েছে, সেটি চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।


অর্থাৎ প্রথম ধাপে ‘রদবদল’ নয়, বরং ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট’ হতে পারে। এতে বর্তমান মন্ত্রিসভার কাঠামো মোটামুটি অপরিবর্তিত রেখেই নতুন চারজনকে যুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বলেন, ‘আপাতত মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। কারণ ১৮০ দিনের কর্মসূচি শেষ হবে আগামী ১৬ আগস্ট। এরই মধ্যে সব মন্ত্রণালয় রিপোর্ট জমা দিয়েছে। এসব রিপোর্ট মূল্যায়ন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এছাড়া একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের কাজের চাপ কমাতে সেসব মন্ত্রণালয়ে নতুন করে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আছে।’

মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের আলোচনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির মূল্যায়ন করা হবে। আমরা কতটা নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করেছি, প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব মাধ্যম আছে, গণমাধ্যম আছে-এসবের মাধ্যমে হয়তো খোঁজখবর নিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, গত ছয় মাসে উনার যতগুলো কর্মকাণ্ড দেখতে পেয়েছি, যেগুলোর কোথাও কোনো ভুল হয়নি।’


তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে মন্ত্রিসভায় যদি কোনো পরিবর্তন করতে চান প্রধানমন্ত্রী, উনার মতো করেই সিদ্ধান্ত নেবেন। উনার সিদ্ধান্তকে আমরা অ্যাপ্রিশিয়েট করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে দেশবাসীর যে প্রত্যাশা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।’



সূত্র: কালেরকণ্ঠ




Comments

Popular posts from this blog

ছুটিতে স্বামী বাসায় এসেছিলো কিন্তু রাতে বউ এর..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী...

দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে খাবার খান, কয়েক ঘণ্টা পর মিলল