সোমবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলা..

Image
  নাটোরের বেশকিছু এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, নাটোরের বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ১ নম্বর ফিডারের আওতাধীন লাইনের পার্শ্ববর্তী গাছের ডালপালা কর্তন কাজের জন্য সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘণ্টা বড়াইগ্রাম উপজেলার বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। এই এলাকাগুলো হলো- কালিকাপুরের আংশিক এলাকা, কালিরগুন, চরনটাবাড়িয়া, মহিষভাঙ্গা মোল্লাপাড়া, নটাবাড়িয়া, জোয়ারী, কালিকাপুর কারিগরি কলেজপাড়া, খৌদ্দকাচুটিয়া ও বৃহৎ কাচুটিয়া ও এর আশপাশের এলাকা।তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতে সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কর্তৃপক্ষ।এদিকে সোমবার রাজশাহীর বেশকিছু এলাকায় পর্যায়ক্রমে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না। রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে নর্দান ইলেকট্রিসি...

স্কুল থেকে ফেরার পর মেয়ের ড্রে’স খু”লতে যা’চ্ছিল, হ’ঠাৎ শার্টের পকেটে হাত দিতে...

 স্কুল থেকে ফেরার পর মেয়ের ড্রে’স খু”লতে যা’চ্ছিল, হ’ঠাৎ শার্টের পকেটে হাত দিতে...


স্কুলড্রেস পরা মেয়েদের দেখলেই বুক ফেটে যায়! যদি গাড়িতে দেখি চোখ বন্ধ করে রাখি, সামনে পড়লে চোখ ফিরিয়ে নিই। মনে হয় আমার মিনুর মতো কেউ সামনে চলে এসেছে। নিজেকে আর ধরে রাখতে পারি না। চোখে ভিজে যায়, দম বন্ধ হয়ে আসে।


‘গত ৭ বছর আমি বাড়ি থেকে বের হতে পারি না’- বলতেই চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছিল শাহিদা বেগমের। ২০১৫ সালের ২০ আগস্ট মেয়ে মিনুকে হারিয়েছেন তিনি।


চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার আয়নাতলী ফরিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার মিনু স্কুলে সহপাঠীর দ্বারা উত্ত্যক্তের শিকার হয়ে এবং উত্ত্যক্তকারীর পরিবারের দ্বারা নাজেহাল হওয়ার ক্ষোভে আত্মহত্যা করেছিলেন।


মেয়েকে নিয়েই স্মৃতিচারণ করছিলেন শাহিদা বেগম। ৭ বছর ধরে একমাত্র মেয়ের স্মৃতি আঁকড়ে আছেন তিনি। প্রতিদিনই ছুঁয়ে দেখেন মেয়ের বই-খাতা, জামা-কাপড়, ছাতা আর কসমেটিক্স।


মিনুর কক্ষটিতে কাউকে ঢুকতে দেন না শাহিদা। অনেকদিন আগে রাখা মেয়ের বইগুলোর রঙ মলিন হলেও তার হৃদয়ের দগদগে ঘা একটুও শুকায়নি। ৫২ বছরের শরীরে তাই জেঁকে বসেছে বিভিন্ন ব্যাধি।


পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, আত্মহত্যার ৭ বছর পরও মামলা তুলে নিতে আসামিদের একের পর এক হুমকি পাচ্ছেন তারা।


মিনুর আত্মহত্যার পর তার ঘর থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এতে লেখা ছিল- ‘মা, ভাইয়া, আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম। কিন্তু নিষ্ঠুর পৃথিবীর মানুষেরা আমাকে বাঁচতে দিল না। আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী তারেক, তারেকের মা ও তার বোন কণিকা। আমার মৃত্যুর প্রতিশোধ তোমরা নিও।’


ঘটনার পর মিনুর ভাই শাহাবুদ্দিন নয়ন ৫ জনের নাম উল্লেখ করে শাহরাস্তি থানায় একটি মামলা করেন। এ সময় শুধু প্রধান অভিযুক্ত তারেককে গ্রেপ্তার করা হয়।


২০১৫ সালের ২২ ডিসেম্বর শাহরাস্তি থানার তখনকার এসআই নিজাম উদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র দিলে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত হয়েছে দাবি করে এর ওপর নারাজি আবেদন করে মিনুর পরিবার। পরে নারাজি আবেদনটি মঞ্জুর হলে মামলাটি সিআইডিতে পাঠায় আদালত।


সিআইডি তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে আদালত মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) আবারও তদন্তের নির্দেশ দেয়। ২০১৭ সালে তারেক, তার মা রুপবান বেগম ও বোন কনিকাকে দায়ী করে অভিযোগপত্র দেয় পিবিআই।


মিনুর ভাই শাহাবুদ্দিন নয়ন বলেন, ‘তারেকের বয়স কমিয়ে ভুয়া জন্মসনদ তৈরি করেছিল তার পরিবার। সেখানে ঘটনার সময় তারেকের বয়স দেখানো হয় ১৭ বছর ৫ মাস ১২ দিন। অথচ পরে মেডিক্যাল রিপোর্টে প্রমাণিত হয় তারেকের বয়স ছিল ২০ বছর। ভুয়া জন্মসনদে অপ্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে তার জামিন নেয়া হয়। আর মিনুর আত্মহত্যায় প্রধান প্ররোচনাকারী তারেকের মা রূপবান বেগম ও বোন কনিকা আজও ধরা ছোঁয়ার বাইরে।’


নয়ন আরও বলেন, ‘তারেক ও তার মা আমাকে প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন। বোন হারানোর বিচার চেয়ে এখন নিজেই প্রাণ শঙ্কায় আছি।’


মামলার আইনজীবী শাহেদুল হক মজুমদার সোহেল জানান, বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন। আসামিদের হুমকি-ধমকির প্রেক্ষিতে মিনুর পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হবে।


জানা যায়, উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের হাড়িয়া গ্রামের প্রবাসী মোহাম্মদ আলীর মেয়ে শারমিন আক্তার মিনুকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো সহপাঠী ও পার্শ্ববর্তী সংহাই গ্রামের প্রবাসী আবু তাহেরের ছেলে মমিন হোসেন তারেক। ঘটনার দিন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের উপস্থিতিতে ইংরেজি ক্লাস চলার সময় তারেকের মা রূপবান বেগম ক্লাসের ভেতর ঢুকে মিনুকে দাঁড়াতে বলেন এবং তার ছেলের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার পরামর্শ দেন।


এমন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে বিরতির সময় রুপবান বেগম ও তার মেয়ে কনিকা মিনুকে গালাগাল করেন। ওই সময় তারেক মিনুকে চড় মারেন এবং মুখে থুতু দেন।


সহপাঠীদের সামনে অপমানিত হয়ে রাগে ক্ষোভে ছুটি নিয়ে বাড়ির দ্বিতীয় তলায় গিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

Comments

Popular posts from this blog

ছুটিতে স্বামী বাসায় এসেছিলো কিন্তু রাতে বউ এর..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী...

দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে খাবার খান, কয়েক ঘণ্টা পর মিলল