স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন...

Image
 স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন... একসঙ্গে গন্তব্যে পৌঁছানোর স্বপ্ন নিয়ে ট্রেনে উঠেছিলেন স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই সেই আনন্দঘন যাত্রা রূপ নেয় এক মর্মান্তিক ঘটনায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চলন্ত ট্রেনে ওঠার সময় বা ট্রেন ছাড়ার মুহূর্তে স্বামী অনিকের হাত থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান তার স্ত্রী রুপা খাতুন। ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে আশপাশের যাত্রীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সবাই হতভম্ব হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে ফেললে অনিক স্ত্রীর হাত শক্ত করে ধরে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাত ফসকে যাওয়ায় রুপা খাতুন ট্রেনের নিচে বা রেললাইনের পাশে পড়ে যান। ঘটনার পরপরই ট্রেনে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই জরুরি ভিত্তিতে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন এবং স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তা...

এবার সামনে এলো বাঁধনকে কারা হা*মলা করেছে….


এবার সামনে এলো বাঁধনকে কারা হামলা করেছে, যা জানা গেল


ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাঁধনের নিজের দেওয়া বক্তব্য এবং ছড়িয়ে পড়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে হামলাকারীদের পরিচয় নিয়ে নানা তথ্য সামনে এসেছে।


বাঁধনের অভিযোগ, ইতালির মেস্ত্রে এলাকায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অবস্থান করার সময় কয়েকজন ব্যক্তি তার দিকে পানি, কোমল পানীয় ও ডিম ছুড়ে মারেন। একপর্যায়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং তার হাত থেকে মোবাইল ফোন ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার সময় তার ভাই, ভাবি ও পরিবারের ছোট শিশুও সেখানে ছিলেন বলে তিনি জানান।


বাঁধনের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা নিজেদের আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতেও কয়েকজন ব্যক্তিকে নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী দাবি করতে এবং বাঁধনের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়াতে দেখা গেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে হামলায় জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির পরিচয় ও দায় এখনো ইতালীয় কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়নি।


বাঁধন মনে করেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তার সক্রিয় অবস্থানের কারণেই তাকে লক্ষ্য করে এই হামলা ও হেনস্তা করা হয়েছে। ঘটনার পর তিনি বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেন এবং জানান, এ ঘটনায় তিনি আইনি পদক্ষেপ নেবেন।


ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বাংলাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, বিষয়টি ইতালীয় কর্তৃপক্ষের কাছে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাটি নিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং বাঁধনকে প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা দেওয়ার কথাও জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।


এদিকে হামলার ঘটনায় শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই নিন্দা জানিয়েছেন। শিল্পীর ওপর বিদেশের মাটিতে এমন আচরণকে অনেকে উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।


তবে হামলায় কারা সরাসরি জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে—তা এখন ইতালীয় পুলিশের তদন্ত ও আনুষ্ঠানিক অভিযোগের পর আরও পরিষ্কার হবে। বাঁধনের পক্ষ থেকেও ঘটনার শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

Comments

Popular posts from this blog

ছুটিতে স্বামী বাসায় এসেছিলো কিন্তু রাতে বউ এর..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী...

দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে খাবার খান, কয়েক ঘণ্টা পর মিলল