স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন...

Image
 স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন... একসঙ্গে গন্তব্যে পৌঁছানোর স্বপ্ন নিয়ে ট্রেনে উঠেছিলেন স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই সেই আনন্দঘন যাত্রা রূপ নেয় এক মর্মান্তিক ঘটনায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চলন্ত ট্রেনে ওঠার সময় বা ট্রেন ছাড়ার মুহূর্তে স্বামী অনিকের হাত থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান তার স্ত্রী রুপা খাতুন। ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে আশপাশের যাত্রীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সবাই হতভম্ব হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে ফেললে অনিক স্ত্রীর হাত শক্ত করে ধরে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাত ফসকে যাওয়ায় রুপা খাতুন ট্রেনের নিচে বা রেললাইনের পাশে পড়ে যান। ঘটনার পরপরই ট্রেনে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই জরুরি ভিত্তিতে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন এবং স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তা...

দেহের আগুন নেভানোর জিনিস না, ওটা জ্বালানোর জিনিস"*

 "দুধ থেকে ঘি, রতি থেকে নূর"* 🌙


*"দেহের আগুন নেভানোর জিনিস না, ওটা জ্বালানোর জিনিস"*

আজ কামশক্তির মারেফাত নিয়ে কথা বলবো। তরিকতের জ্ঞানী ছাড়া এই আলোচনা কেউ বুঝবে না। 


দরদী ভাই-বোন, শোনো। 

আল্লাহ মানুষকে দেহ দিছে শুধু ভোগের জন্য না। 

দেহের ভিতর যে উত্তেজনা, যে রস-রতি — ওটা ইবাদতের সবচেয়ে বড় কারখানা।


অধিকাংশ মানুষ এই আগুনটারে নালায় ফেলে দেয়। 

পানি ঢেলে নেভায়, নয়তো কাদায় মাখায়। 

তাই নূর হয় না, ধোঁয়া হয়।


*১. রস রতি কি?*

এটা শুধু শরীরের চাহিদা না। 

এটা আল্লাহর দেওয়া "কুদরতি তেজ"। 

দুধের মধ্যে যেমন ঘি লুকায় আছে, 

মানুষের রক্ত-রসের ভিতরেও নূর লুকায় আছে।


দুধ জ্বাল দিলে পানি উড়ে যায়, ঘি থাকে। 

তেমনি সাধনা দিলে খাহেশাত উড়ে যায়, নূর থাকে।


 *২. ভুল পথে গেলে কি হয়?*

রস বাইরে ফেললে শক্তি বাইরে যায়। 

শরীর দুর্বল হয়, কলব অন্ধকার হয়, চেহার নূর নিভে যায়। 

তখন মানুষ পশুর মতো খালি খোঁজে, পায় না। 

কারণ সে তার নিজের খনিই লুট করে ফেলছে।


 *৩. সঠিক পথ কোনটা?*

মারফত বলে — "রক্ষা করো, রূপান্তর করো"। 

রসকে ধরে রাখো, সাধনা দিয়ে উপরে তোলো। 

নিচের চক্র থেকে টেনে কলব-সিনায় আনো। 

তখন ওই রস আর রস থাকে না, *নূরে* পরিণত হয়।


যেমন দুধ → ঘি → আরো দামি। 

তেমনি রতি → তেজ → নূর → আল্লাহর কুরবত।


এইজন্যই ওলিরা বলে — "যে নিজের পানি নিজে হেফাজত করলো, সে নিজের রাজা হলো।"


 *৪. নারীর জন্য বিশেষ হেকমত*

নারী দেহ মারফতের আয়না। 

নারীর ভিতর চন্দ্রের ধারা বেশি। 

চন্দ্র মানে ধারণ, পালন, রূপান্তর। 


নারী যদি চায়, সে তার রস-রতিকে ইবাদতে লাগাতে পারে। 

নফসকে পাক করলে ওই উত্তেজনাই জিকির হয়। 

ওই কাঁপনই মোরাকাবা হয়। 

ওই পানি শুকিয়ে কলবের বাতি জ্বলে।


তখন সে আর শুধু নারী থাকে না। 

সে *নূরানি বস্তু* হয়। 

তার নিঃশ্বাসে তাসবিহ, তার চোখে হায়া, তার শরীরে এবাদতের ঘ্রাণ।


*৫. সারকথা —আমি হেকিমের নসিহত*

খাহেশাতকে গালি দিও না। 

ওটা আল্লাহর দেওয়া শক্তি। 

শুধু দিকটা ঘুরায় দাও।


বাইরে ফেললে পশু, 

ভিতরে রাখলে ফেরেশতা, 

আল্লাহর দিকে লাগালে ওলি।


*_"যে নিজের রসকে ঘি বানাতে পারলো,  

সে-ই নিজের দেহকে অমর বানাতে পারলো।  

আর যার দেহ কামশক্তিতে ভরপুর করতে পারলো,  

তার ভিতর আল্লাহ ছাড়া আর কেউ থাকে না, সে এবাদত করেও মজা পায়।"__


 __"দুধ ফেললে দুধই থাকে।  

   জ্বাল দিলে ঘি হয়।  

   রসও তাই। ফেললে পানি, রাখলে নূর।"__


__"উত্তেজনা গুনাহ না।  

   ভুল জায়গায় খরচ করাটাই গুনাহ।  

   দিক বদলাও, ইবাদত হয়ে যাবে।"__


__"নারী চাইলে নিজেকে আয়না বানাতে পারে।  

   আয়না ময়লা হলে নূর ধরে


তাই হস্তমৈথুন করে ধ্বংস করোনা। জমা করো


আগে থেকে রোগ থাকলে প্রয়োজনে হেকিমি দাওয়াখানা তে চিকিৎসা করো। জংলার গাছগাছালির মাধ্যমে স্বায়ী সমাধান পাবে ইনশাল্লাহ। 



Comments

Popular posts from this blog

ছুটিতে স্বামী বাসায় এসেছিলো কিন্তু রাতে বউ এর..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী...

দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে খাবার খান, কয়েক ঘণ্টা পর মিলল