স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন...

Image
 স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন... একসঙ্গে গন্তব্যে পৌঁছানোর স্বপ্ন নিয়ে ট্রেনে উঠেছিলেন স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই সেই আনন্দঘন যাত্রা রূপ নেয় এক মর্মান্তিক ঘটনায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চলন্ত ট্রেনে ওঠার সময় বা ট্রেন ছাড়ার মুহূর্তে স্বামী অনিকের হাত থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান তার স্ত্রী রুপা খাতুন। ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে আশপাশের যাত্রীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সবাই হতভম্ব হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে ফেললে অনিক স্ত্রীর হাত শক্ত করে ধরে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাত ফসকে যাওয়ায় রুপা খাতুন ট্রেনের নিচে বা রেললাইনের পাশে পড়ে যান। ঘটনার পরপরই ট্রেনে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই জরুরি ভিত্তিতে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন এবং স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তা...

২৪ বছর পা’/লিয়ে থেকেও শে’ষ র’/ক্ষা হলো না! ১০৪ বছরের বৃ’/দ্ধ এখন কা’/রাগা’/রে...


২৪ বছর পালিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না! ১০৪ বছরের বৃদ্ধ এখন কারাগারে৷



২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে কিশোরগঞ্জের বড়বাজার এলাকায় একটি দোকানে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা নগদ টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ লুট করে। এ সময় মোশাররফ হোসেন ও আ. কবির নামে দুই ব্যক্তি নিহত হন।


এই মামলার বিচার শেষে ২০০৩ সালে নুর মোহাম্মদসহ ৮ জনকে মৃ-ত্যুদণ্ড দেন নিম্ন আদালত। পরে ২০০৭ সালে উচ্চ আদালত নুর মোহাম্মদের সাজা কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড নির্ধারণ করেন।


কিন্তু রায় ঘোষণার পর থেকেই দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন তিনি। অবশেষে ঘটনার ২৪ বছর পর আদালতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন নুর মোহাম্মদ।


১০৪ বছর বয়স ও অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে তিনি জামিন আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে সরাসরি কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


এটা নিয়ে অনেকে বলতেছে, উনার বয়স হইছে এখন উনাকে মাফ করে দিক৷ এই বয়সে সে আর কি করবে৷


আবার অনেকে বলতেছে, আকাম করার সময় মনে ছিলো না৷ এখন শেষ বয়সে ভালো সাজতে আসছে৷ ভালো হইছে তারে জেলে নিছে৷


এই ব্যাপারে আপনার মতামত কি?

উনাকে জামিন দেয়া উচিত! নাকি দোষী যে হোক তার শাস্তি পেতেই হবে?

Comments

Popular posts from this blog

ছুটিতে স্বামী বাসায় এসেছিলো কিন্তু রাতে বউ এর..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী...

দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে খাবার খান, কয়েক ঘণ্টা পর মিলল