সোমবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলা..
ডিসেম্বরে দেশে ফেরা হচ্ছে না শেখ হা’সিনার…
১. আইনি বাধা ও প্রত্যর্পণ জটিলতা
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পথে সবচেয়ে বড় বাধা বর্তমানে একাধিক চলমান আইনি প্রক্রিয়া। জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের ঘটনাবলীকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা ও বিচার কার্যক্রম চলছে। এছাড়াও দেশে শতাধিক হত্যা মামলা রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলেও বিষয়টি দিল্লির নিজস্ব আইনি ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। ফলে এত স্বল্প সময়ের মধ্যে এই চুক্তি বাস্তবায়ন করে আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়া অবাস্তব।
২. ঢাকা-দিল্লির কূটনৈতিক সমীকরণ
শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান নিয়ে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। ঢাকা থেকে স্পষ্টভাবে দিল্লিকে জানানো হয়েছে, ভারতীয় ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে যাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোনো অস্থিতিশীল রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানো না যায়। দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণে ঢাকার এই অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পথকে আরও জটিল করে তুলছে।
৩. নিরাপত্তা ঝুঁকি ও সাংগঠনিক দুর্বলতা
অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং গণআক্রোশের কারণে তাঁর দেশে ফেরা একটি বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এর পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক স্তরে মাঠপর্যায়ে কোনো দৃশ্যমান বড় প্রস্তুতি বা রাজনৈতিক কর্মসূচির অবকাঠামো নেই। দলীয় নেতাদের মতে, নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতেই এই বক্তব্য দেওয়া হলেও ডিসেম্বরে ফেরার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি অনুপস্থিত।
Please wait 7 seconds to access content...
Comments
Post a Comment