স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন...

Image
 স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন... একসঙ্গে গন্তব্যে পৌঁছানোর স্বপ্ন নিয়ে ট্রেনে উঠেছিলেন স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই সেই আনন্দঘন যাত্রা রূপ নেয় এক মর্মান্তিক ঘটনায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চলন্ত ট্রেনে ওঠার সময় বা ট্রেন ছাড়ার মুহূর্তে স্বামী অনিকের হাত থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান তার স্ত্রী রুপা খাতুন। ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে আশপাশের যাত্রীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সবাই হতভম্ব হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে ফেললে অনিক স্ত্রীর হাত শক্ত করে ধরে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাত ফসকে যাওয়ায় রুপা খাতুন ট্রেনের নিচে বা রেললাইনের পাশে পড়ে যান। ঘটনার পরপরই ট্রেনে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই জরুরি ভিত্তিতে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন এবং স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তা...

নারী বিশেষ অ'ঙ্গে কিভাবে...

 নারী বিশেষ অ'ঙ্গে কিভাবে...


নারী ক্লিটো/রিসে কীভাবে আরাম পায় - যখন স্পর্

কথা বলে

ক্লিটো/রিস কোনো বোতাম না।

চাপ দিলেই আনন্দ-এই ধারণা ভুল।

এটা অনুভূতির জায়গা, তাড়াহুড়োর না।

আরাম শুরু হয় এখানে-

মন খুললে শরীর খোলে

নারী যখন নিরাপদ বোধ করে, তখনই শরীর সাড়া দেয়।

চোখে চোখ, ধীর উপস্থিতি, মনোযোগী আচরণ-এসবই প্রথম স্পর্শের অংশ।

সরাসরি নয়, ধীরে ধীরেনারী যখন নিরাপদ বোধ করে, তখনই শরীর সাড়া দেয়।

চোখে চোখ, ধীর উপস্থিতি, মনোযোগী আচরণ-এসবই প্রথম স্পর্শের অংশ।


সরাসরি নয়, ধীরে ধীরে

ক্লিটো/রিস অত্যন্ত সংবেদনশীল।

হঠাৎ বা তীব্র স্পর্শ অনেক সময় অস্বস্তিকর হতে পারে।

নরমভাবে চারপাশে আদর, তারপর ধীরে কাছে যাওয়া-এটাই আরামের পথ।


একই রিদম, একই ছন্দ


একটা গতি যদি সে উপভোগ করে, হঠাৎ বারবার বদলাবেন না।

ধীর, স্থির ও ধারাবাহিক ছন্দ উত্তেজনাকে আরও গভীর হতে সাহায্য করে।

নিঃশ্বাস দেখুন, শুধু মুখ নয়চাপ নয়, মনোযোগ

আঙুলের শক্তি নয়, মনোযোগের উষ্ণতা বেশি কাজ করে।

সে অনুভব করুক-তাকে শোেনা হচ্ছে, বোঝা হচ্ছে এবং সম্মান করা হচ্ছে।

সব ঠিক আছে তবে পুরুষের শারীরিক অক্ষ/মতা থাকলে সবই বৃথা। তাই পুরুষের


যৌ.ন শক্তি কমে গেলে বা যৌ.ন রোগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা ছাড়া যৌন রোগ ভালো হয়না। অনেকে মনে করে কিছুদিন পুষ্টিকর খাবার খাবো আর রেষ্ট নিবো তাহলেই রোগ সেরে যাবে কিন্তু একবার রোগ জন্ম নিলে বিনা চিকিৎসায় ভালো হবার সম্ভাবনা নেই। মনে রাখবেন যৌন রোগের জন্য অন্য চিকিৎসার তুলনায় বনাজি বা ভেষজ চিকিৎসা সবচেয়ে নিরাপদ ও স্থায়ী। কারন অন্য চিকিৎসায় ওষধে নিশ্চিত ক্যা/মিকেল থাকে যা কিছুটা উপকার করলেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষ/তির সম্ভাবনা আছে আর ভালো হেকিমের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিলে তিনি সঠিক ভেষজ দ্বারা ওষধ হাতে বানিয়ে দিবে যাহা কিছুদিন সেবনের ফলে আল্লাহর রহমতে পুরো সুস্থ হবেন ইনশাআল্লাহ।

Comments

Popular posts from this blog

ছুটিতে স্বামী বাসায় এসেছিলো কিন্তু রাতে বউ এর..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী...

দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে খাবার খান, কয়েক ঘণ্টা পর মিলল