স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন...
বাঘিনী একেই বলে! টানা ১ ঘণ্টা হাত উঁচিয়ে থাকার পর রুমিন ফারহানা যখন মাত্র ২ মিনিটের জন্য মাইকটা পাইলেন, পুরা সংসদকে একাই নাচাইয়া দিলেন...😬
আজকে সংসদে যা একটা ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে গেল, ওয়ান অব দ্যা বেস্ট সিন এভার! ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বক্তব্য দেওয়ার জন্য টানা এক ঘণ্টা হাত উঁচিয়ে বসেছিলেন।
শেষমেশ যখন ফ্লোর পাইলেন, ব্যস! শুরু হলো আসল খেলা।
রুমিন ফারহানা মাইক পেয়েই কড়া কড়া কথা শুরু করলেন। বললেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট হবে না, দু-র্নীতিতে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হবে না, বা ঋণ খেলাফিতে ফার্স্ট হবে না, তা তো হইতেই পারে না! সংসদ যেন আওয়ামী লীগ আমল! এই কথা শুনেই সংসদের মেম্বাররা তো রেগে আগুন, চারিদিকে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু!
রুমিন ফারহানাও ছাড়ার পাত্র না। আরো খোঁচা মেরে হেসে দিয়ে বললেন, মজা মন্দ না! আগে যখন আওয়ামী লীগকে নিয়ে বলতাম তখনও তারা হট্টগোল করতো, এখন এদের (বিএনপি) নিয়ে বলতেছি, এরাও একই আচরণ করতেছে! বরং আরও খারাপ করতেছে।
এরপর উনি আরও বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন যে, এই সংসদের বেশিরভাগ মেম্বারই নাকি ঋণ খেলাপি। নির্বাচনের আগে হাইকোর্টে গিয়ে রিট করে নাম কাটানোর যে পুরনো নাটক, সেটা এখনো চলতেছে।
এই স্পিচ শুনে তো সংসদে আরো চিল্লাচিল্লি শুরু। থামছেই না...! তখন ডেপুটি স্পিকার তো পুরাই ক্ষ্যাপে গেলেন।
উনি চিফ হুইপ আর বাকি মেম্বারদের উদ্দেশ্য করে কড়া ধমক দিয়ে বললেন, All the members of Parliament, please keep quiet! একজন অনারেবল মেম্বার কথা বলতেছেন, ওনার যা ইচ্ছা বলার অধিকার আছে।
স্পিকার সাফ জানিয়ে দিলেন, এভাবে একজনের বক্তব্যে বাধা দেওয়া একদম আনডেমোক্রেটিক। আপনাদের সময় আসলে আপনারা কাউন্টার দিয়েন, কিন্তু মাঝখান দিয়ে চিল্লাপাল্লা করা কোনোভাবেই চলবে না!🤷🏽♀️
যাই হোক, রুমিন ফারহানা একাই আজকে পুরো থিয়েটার জমায় দিলেন! তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পরও মেম্বারদের টেবিল চাপড়ানো আর বাদানুবাদ থামানোই যাচ্ছিলো না!পলিটিক্সের এই মিউজিক্যাল চেয়ার খেলা দেখতে আসলেই দারুণ লাগে।
আপনার কি মনে হয়, সংসদ কি আসলেই সার্কাস হয়ে যাচ্ছে? হুমমম??? 🤔
Please wait 7 seconds to access content...
Comments
Post a Comment