স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন...
⚠️ একজন নারীকে জোর করে ধ*র্ষ'ণ করা হলে—তার কি গুনাহ হবে?
ইসলামের দৃষ্টিতে এর উত্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
না। কোনো নারী যদি তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জো'রপূর্বক ধ*র্ষ*ণে*র শিকার হন, তাহলে সেই নারীর ওপর ধর্ষণের গুনাহ নেই।
কারণ তিনি স্বেচ্ছায় এই কাজে সম্মত হননি; বরং তিনি একজন মজলুম ও নি*র্যা*ত'নের শিকার।
📖 সহিহ বুখারিতে জোরপূর্বক নারীর সঙ্গে অবৈধ যৌ*ন'সম্পর্ক স্থাপনের ঘটনা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, জোর করে যৌ*ন*সম্পর্ককারী ব্যক্তির ওপর শাস্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল, কিন্তু নি*র্যা*তি"ত নারীকে শাস্তি দেওয়া হয়নি।
🔴 তাহলে গুনাহ কার?
যে ব্যক্তি জোর করে একজন নারীর ওপর যৌ*ন নি*র্যা*ত'ন চালিয়েছে—
❌ সে মা*রা*ত্ম'ক গুনাহ করেছে
❌ সে জু*লুম করেছে
❌ সে একজন মানুষের সম্মান ও নিরাপত্তার ওপর আঘাত করেছে
❌ তাকে আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে এবং দুনিয়াতেও ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
ইসলাম কখনো মজলুমকে অপরাধী বানায় না।
🌸 নি*র্যা*তি'ত নারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কথা
একজন নারী ধ"র্ষ*ণে'র শিকার হওয়ার কারণে অপবিত্র, চরিত্রহীন বা গুনাহগার হয়ে যান না।
তার সম্মতি ছাড়া তার ওপর যে অপরাধ করা হয়েছে, তার দায় তার নয়।
তাই কোনো ধ*র্ষ*ণে'র শিকার নারীকে—
দোষারোপ করা, অপমান করা, চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা তাকে সমাজের চোখে হেয় করা ইসলামী ন্যায়বোধের পরিপন্থী।
বরং তার পাশে দাঁড়ানো, তাকে নিরাপত্তা দেওয়া এবং ন্যায়বিচার পেতে সাহায্য করা উচিত।
🕊️ মনে রাখুন
“সে ধ"র্ষি*ত হয়েছে”—এটা তার অপরাধ নয়।
অপরাধ হলো—কেউ তাকে জোর করে ধ*র্ষ*ণ করেছে।
ইসলাম জুলুমকে সমর্থন করে না।
মজলুমের প্রতি সহানুভূতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
🤲 আল্লাহ সব নি*র্যা*তি'ত মানুষকে হেফাজত করুন এবং জালিমদের হাত থেকে মানুষকে নিরাপদ রাখুন। আমিন।
⚠️ ধ*র্ষ"ণে'র শিকার নারীকে কখনো দোষী করবেন না—দোষী হলো অপরাধী।
Please wait 7 seconds to access content...
Comments
Post a Comment