সোমবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলা..

Image
  নাটোরের বেশকিছু এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, নাটোরের বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ১ নম্বর ফিডারের আওতাধীন লাইনের পার্শ্ববর্তী গাছের ডালপালা কর্তন কাজের জন্য সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘণ্টা বড়াইগ্রাম উপজেলার বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। এই এলাকাগুলো হলো- কালিকাপুরের আংশিক এলাকা, কালিরগুন, চরনটাবাড়িয়া, মহিষভাঙ্গা মোল্লাপাড়া, নটাবাড়িয়া, জোয়ারী, কালিকাপুর কারিগরি কলেজপাড়া, খৌদ্দকাচুটিয়া ও বৃহৎ কাচুটিয়া ও এর আশপাশের এলাকা।তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতে সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কর্তৃপক্ষ।এদিকে সোমবার রাজশাহীর বেশকিছু এলাকায় পর্যায়ক্রমে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না। রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে নর্দান ইলেকট্রিসি...

বি’দ্যুৎ বিল নিয়ে কথা বলায়….

 বি’দ্যুৎ বিল নিয়ে কথা বলায়….


বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কথা বলাকে কেন্দ্র করে একটি ঘটনার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর এক ব্যক্তি অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। ঘটনাটি নিয়ে অনলাইনে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও এর পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট এখনো স্পষ্ট নয়।বিল নিয়ে প্রশ্ন থেকেই শুরুভাইরাল বর্ণনা অনুযায়ী, বিদ্যুতের বিলের পরিমাণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। একপর্যায়ে কথাবার্তা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে দাবি করা হচ্ছে। এরপর কী ঘটেছিল, তা নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা রকম বক্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে।তবে ঘটনার স্থান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয়, বিদ্যুৎ বিলের প্রকৃত পরিমাণ এবং পরে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল—এসব তথ্য নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট দাবি সত্য হিসেবে প্রকাশ করা ঠিক হবে না।সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়াঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভোক্তাদের অভিযোগ ও হয়রানির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ বলছেন, বিল অস্বাভাবিক মনে হলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে অভিযোগ করা উচিত। আবার কেউ ঘটনার সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন।বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কোনো অসঙ্গতি থাকলে বিলের কাগজ, মিটার রিডিং ও পূর্ববর্তী মাসের ব্যবহার মিলিয়ে দেখা এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করাই আইনসম্মত পদ্ধতি।


আপনি যদি এই “বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কথা বলায়…” ঘটনার মূল ছবি বা ভিডিওটি পাঠান, সেটি দেখে ক্যাপশনের বাকি অংশ মিলিয়ে আরও নির্দিষ্ট ও বিস্তারিত নিউজ আর্টিকেল লিখে দিতে পারি।

Comments

Popular posts from this blog

ছুটিতে স্বামী বাসায় এসেছিলো কিন্তু রাতে বউ এর..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী...

দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে খাবার খান, কয়েক ঘণ্টা পর মিলল