সোমবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলা..

Image
  নাটোরের বেশকিছু এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, নাটোরের বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ১ নম্বর ফিডারের আওতাধীন লাইনের পার্শ্ববর্তী গাছের ডালপালা কর্তন কাজের জন্য সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘণ্টা বড়াইগ্রাম উপজেলার বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। এই এলাকাগুলো হলো- কালিকাপুরের আংশিক এলাকা, কালিরগুন, চরনটাবাড়িয়া, মহিষভাঙ্গা মোল্লাপাড়া, নটাবাড়িয়া, জোয়ারী, কালিকাপুর কারিগরি কলেজপাড়া, খৌদ্দকাচুটিয়া ও বৃহৎ কাচুটিয়া ও এর আশপাশের এলাকা।তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতে সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কর্তৃপক্ষ।এদিকে সোমবার রাজশাহীর বেশকিছু এলাকায় পর্যায়ক্রমে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না। রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে নর্দান ইলেকট্রিসি...

১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখে বউ সন্তান টিনের ঘরে থাকে, অথচ বিল্ডিংয়ে...

 ১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখে বউ সন্তান টিনের ঘরে থাকে, অথচ বিল্ডিংয়ে...


জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান ১৬টি বছর কাটিয়েছেন প্রবাসে। নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন শুধু একটি স্বপ্ন নিয়ে—পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন, স্ত্রী-সন্তানকে ভালো রাখবেন এবং সবার জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবেন।কিন্তু দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে ফিরে যে দৃশ্যটি তার চোখে পড়ল, তা যেন কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। বাড়ির পাশেই বহুতল ভবনে আরাম-আয়েশে বসবাস করছেন পরিবারের অন্য সদস্যরা। অথচ তার নিজের স্ত্রী ও সন্তান থাকছেন একটি ছোট্ট টিনের ঘরে, যেখানে বর্ষাকালে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, আর গরমের দিনে অসহনীয় পরিবেশে দিন কাটাতে হয়।স্ত্রীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, সংসারে নানা কারণে তারা কখনোই সেই ভবনে থাকার সুযোগ পাননি। স্বামীকে দুশ্চিন্তায় ফেলতে চাননি বলেই এতদিন সব কষ্ট চেপে গিয়েছিলেন। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সবকিছু নীরবে সহ্য করেছেন।স্ত্রীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, সংসারে নানা কারণে তারা কখনোই সেই ভবনে থাকার সুযোগ পাননি। স্বামীকে দুশ্চিন্তায় ফেলতে চাননি বলেই এতদিন সব কষ্ট চেপে গিয়েছিলেন। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সবকিছু নীরবে সহ্য করেছেন।এদিকে প্রতিবেশীদের অনেকেই জানান, প্রবাসী ওই ব্যক্তি নিয়মিত পরিবারের জন্য অর্থ পাঠাতেন। কিন্তু সেই অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তা নিয়ে এখন নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায়ও আলোচনা শুরু হয়েছেঘটনার পর প্রবাসী ব্যক্তি নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, "পরিবারের জন্যই বিদেশে কষ্ট করেছি। যদি নিজের স্ত্রী-সন্তানই ভালো না থাকে, তাহলে সেই ত্যাগের মূল্য কোথায়?"

Comments

Popular posts from this blog

ছুটিতে স্বামী বাসায় এসেছিলো কিন্তু রাতে বউ এর..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী...

দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে খাবার খান, কয়েক ঘণ্টা পর মিলল