স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন...
জানা গেছে, একটি মামলার তদন্তের স্বার্থে আদালতের আদেশে ওই ব্যক্তিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড চলাকালে মামলার ঘটনা সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। নির্ধারিত সময় শেষে তাকে আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এর আগে তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় হাসপাতালে নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে।
হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে তার অসুস্থতার কারণ বা হাসপাতালে ভর্তি রাখার প্রয়োজন রয়েছে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
এদিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে ওই আসামির পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চিকিৎসকদের প্রতিবেদনের পাশাপাশি তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য ও আদালতের পরবর্তী আদেশের ওপর বিষয়টি নির্ভর করবে।
আইনগতভাবে কোনো আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া হলে তদন্তের প্রয়োজনেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একই সঙ্গে হেফাজতে থাকা ব্যক্তির শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়াও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। ফলে হাসপাতালে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে চিকিৎসা ও আইনগত নথি যাচাই করা জরুরি।
ঘটনার বিস্তারিত তথ্য, হাসপাতালের চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। আপাতত পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে ওই আসামিকে হাসপাতালে নেওয়ার বিষয়টিই আলোচনায় রয়েছে।
Please wait 7 seconds to access content...
Comments
Post a Comment