স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন...

Image
 স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন... একসঙ্গে গন্তব্যে পৌঁছানোর স্বপ্ন নিয়ে ট্রেনে উঠেছিলেন স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই সেই আনন্দঘন যাত্রা রূপ নেয় এক মর্মান্তিক ঘটনায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চলন্ত ট্রেনে ওঠার সময় বা ট্রেন ছাড়ার মুহূর্তে স্বামী অনিকের হাত থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান তার স্ত্রী রুপা খাতুন। ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে আশপাশের যাত্রীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সবাই হতভম্ব হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে ফেললে অনিক স্ত্রীর হাত শক্ত করে ধরে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাত ফসকে যাওয়ায় রুপা খাতুন ট্রেনের নিচে বা রেললাইনের পাশে পড়ে যান। ঘটনার পরপরই ট্রেনে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই জরুরি ভিত্তিতে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন এবং স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তা...

৫ দিনের রি’/মান্ড শেষ করার পর হাসপাতালে নেওয়া..

 


টানা পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে এক আসামিকে হাসপাতালে নেওয়ার খবরকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। রিমান্ড শেষে তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা হাসপাতালে নিয়ে যান বলে জানা গেছে। তবে ঠিক কী কারণে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থার প্রকৃত অবস্থা কী—এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


জানা গেছে, একটি মামলার তদন্তের স্বার্থে আদালতের আদেশে ওই ব্যক্তিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড চলাকালে মামলার ঘটনা সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। নির্ধারিত সময় শেষে তাকে আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এর আগে তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় হাসপাতালে নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে।


হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে তার অসুস্থতার কারণ বা হাসপাতালে ভর্তি রাখার প্রয়োজন রয়েছে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।


এদিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে ওই আসামির পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চিকিৎসকদের প্রতিবেদনের পাশাপাশি তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য ও আদালতের পরবর্তী আদেশের ওপর বিষয়টি নির্ভর করবে।


আইনগতভাবে কোনো আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া হলে তদন্তের প্রয়োজনেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একই সঙ্গে হেফাজতে থাকা ব্যক্তির শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়াও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। ফলে হাসপাতালে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে চিকিৎসা ও আইনগত নথি যাচাই করা জরুরি।


ঘটনার বিস্তারিত তথ্য, হাসপাতালের চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। আপাতত পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে ওই আসামিকে হাসপাতালে নেওয়ার বিষয়টিই আলোচনায় রয়েছে।

Comments

Popular posts from this blog